সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কালোমেঘের দিকে ধাবমান দেশের উজ্জ্বল নক্ষত্র মেধাবী তরুন উদ্যোক্তাগন


এদেশে মানুষ বেশী কিন্তু সুযোগ ও কর্মসংস্থান সীমিত। প্রথম থেকেই প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম আমরা চাকরির পেছনে ছুটেছি বলে আমাদের ব্যবসায়িক খাত উন্নত হয়নি। ১৭ কোটি মানুষের বাজারে তাদের চাহিদার আলোকে আমরা নিজেরাই নিজেদের জন্য অনেক কিছু প্রস্তুত ও বাজারজাত করতে পারতাম। সে সযুযোগটা ছিলো। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেটা না হয়ে আমরা বরং বিদেশী বাবসায়ীদের ব্যবসা দিতে দিতে বিদেশী পন্যের বাজার ও খদ্দেরে পরিণত হয়েছি গোটা জাতি।

দেশের ব্যবসায়িক খাত আশানুরুপ উন্নতি না হওয়ার কারণে আমাদের মানসিকতা যেমন চাকরীমুখী তেমনি প্রবণতাও বিদেশী পন্য মুখী। ফলশ্রুতিতে দুটো সমস্যা বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত; একটা পুঁজি সংকট অন্যটি হলো উদ্যোক্তাদের দক্ষতার অভাব। পুঁজি সমস্যার সমাধানে বর্তমানে ব্যাংক লোন ছাড়াও বেশকিছু সমাধান এসেছে তারমধ্যে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, ভেঞ্চার পার্টনার ক্রাউড ফান্ডিং এবং অগ্রিম বিক্রয় ইত্যাদি যার বেশিরভাগই বাস্তবসম্মত নয়।

ব্যাংক সাধারণত ঋল দেয়ার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো বিবেচনা করে যেমন ব্যবসা লাভের মুখ দেখেছে কিনা? ব্যবসার বয়স কত? আবার উদ্যোক্তার নিজের কোনো স্থায়ী সম্পদ আছে কিনা?
এতে বেশীরভাগ তরুন এবং সৃজনশীল উদ্যোক্তারা বাদ পড়ে যান। লিজিং কোম্পানীর ক্ষেত্রে একই সমস্যা। তখন হতাশার কালো ছায়া ঘিরে আসে চার দিক থেকে। কারণ পরিবারের বাধা নিষেধ না মেনেই এপথে যাত্রা...... তারউপর ব্যবসায়ীদের নৈতিক অবক্ষয়য় বা BACK-DOOR seeking mentality-তে তরুনরা খুব সহজেই ধরাশায়ী হয়ে যায়...

আবার তার ফেলে আসা উজ্জ্বল ক্যারিয়ার এও ফিরতে পারে না কারন ততদিনে বহু পথ পাড়ি দেয়া হয়ে গিয়েছে ফিরেগিয়ে আবার শুরু করার সুযোগ নেই...

এ যেন হতাশার নতুন দিগন্ত চারপাশে তাকিয়ে দেখে সে একা...... সদা ব্যাস্ত মুঠোফোন দুটিও নিরব... অতি দ্রুত ছুটে চলা সময়ও যেন থমকে যায়...

মন্তব্যসমূহ