সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বঙ্গবন্ধু ১ স্যাটেলাইট এর ব্যাবহার এবং পরিচিতি

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্যাটেলাইট চ্যানেল ও ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বছরে ১৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার ব্যায় করে যার পুরোটাই বাচিয়ে দেবে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটটি এবং বাড়তি তরঙ্গ বিভিন্ন দেশের (যাদের নিজস্ব স্যাটেলাইট নেই) কাছে বিক্রি করা যাবে। এতেকরে বৈদেশিক মুদ্রা শুধু বাচবেই উলটো আয় হবে।

১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর  মহাকাশে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘স্পুটনিক-ওয়ান’ পাঠায়, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন। এরপর একে এই তালিকায় নাম লেখায়- যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জাপান, চীন, যুক্তরাজ্য, ভারতসহ ৫৬টি দেশ। আর ৫৭তম দেশ হিসেবে স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধু-১স্যাটেলাইটটি সর্বাধুনিক FALCON 9 এ করে কক্ষপথে পৌছাবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১।বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটটির মূল অবকাঠামো নির্মাণ করেছে ফ্রান্সের থ্যালাস এনিয়া স্পেস। ৩০ মার্চ ফ্রান্স থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় লঞ্চপ্যাডে নেয়াহয় এবং গত শুক্রবার FALCON X সফলতার সাথে পরিক্ষামুলক উৎক্ষেপন চালায়। 
পৃথিবী থেকে ৩৫৭৮৬ কি.মি. দূরতের এ কক্ষপথে পৌছাতে এটির গতি থাকবে ৮কি.মি./সেঃ, সাথে থাকছে ১৫ বছরের জ্বালানি।এর মাধ্যমে নিজস্ব স্যাটেলাইটের অধিকারী বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ঘটবে। 

রাশিয়ার উপগ্রহ কোম্পানি ইন্টারস্পুটনিকের কাছ থেকে কক্ষপথ -অরবিটাল স্লটটি প্রায় ২১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে মহাকাশের ১১৯ দশমিক ১ পূর্ব দ্রাঘিমায় ১৫ বছরের জন্য কেনা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটটি অরবিটে পৌঁছাতেই তিন সপ্তাহ লাগবে, পাঠানোর পরেও থ্যালাস সেটি পর্যবেক্ষণ করবে। স্যাটেলাইট পাঠানোর কাজটি বিদেশে হলেও এটি নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাংলাদেশ থেকেই। এ জন্য গাজীপুরের জয়দেবপুর ও রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায় দুটি গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে যেখানে কাজ করবে বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষিত দেশের ১৮ জন মহাকাশ প্রকৌশলী যাদের বেশিরভাগই তরুন। উৎক্ষেপণের পর ইন-অরবিট টেস্ট বা আইওটি শেষে ৩ মাস পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট হতে সেবা পাওয়া যাবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে।

মাজহার মানিক
তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট  




মন্তব্যসমূহ